তোমাকে চেয়েছিলাম একটু অন্যরকম ভাবে
ঠিক যেমন তা তুমি তেমন ভাবে নয়
মনে মনে অনেক ছবি আঁকা ছিল
যেমন ধরো তুমি নবম শ্রেণীতে শেষ বেন্চ এ বসে
লাল ফ্রক পরা
কানের পাশ দিয়ে বয়ে যেত জানলা দিয়ে ঢুকে পরা হাওয়া
আর তুমি উদাস চোখে চাইতে কঠিন রোদের দিকে
বাংলা বই এ তখন রুপসী বাংলা খোলা
তারপর সেই ঘরে ফিরে আসা
আধা ভাঙ্গা ইঁট এর রাস্তা দিয়ে
মিত্র বাড়ির গেট এ cycle এ বসে থাকা কেউ
কোনদিন ও জানতে চায়নি নাম
বড় পুকুরের ধরে হলুদ বাড়ির মেয়ে ভীষণ হলদেটে
তবু তুমি তিতাস, একটি নদীর নাম
তুমি ভীষণ গভীর, নদীর মতো বনের মতো
সে গভীরে যেতে ভয় হয়
তবু মনে হয় খোঁড়া মনটাকে নিয়ে
একবার দেখে আসি সে রাজ্য
হয়ত গভীরে আছে আরো কত গভীরতা
কত রাত হারিয়ে ফেলেছি তোমার কালো চুলের ফাঁকে
ইঁটের রাস্তা সরে সরে যেত
cycle এর পিছন চাকায় বিশ্রী আওয়াজ
আর ঢুকে পরা গভীরে আমি বিদিশা
তারপর ঘুম ভেঙে যেত
বালিশের পাশে তোমার রঙিন ছবিখানা দেখতাম
তোমায় ভীষণ অচেনা মনে হত
মনে হত অন্য কারো রঙে আঁকা কেউ
ভীষণ অন্যরকম, মাপা মাপা হাসি
গুঁড়িয়ে দিত আমার রাতের অহংকার
কতবার তোমার স্পর্শ পেয়েছি
ধুলোওড়া station চত্তরে
তবু ঘুমের মাঝে তোমায় পাওয়া
তুমি জানোনা তুমি গভীর স্বপ্নে কতটা গভীর
কতটা আমার কতটা স্বাধীন
দিনে তুমি সংশয়, দিনে তুমি না পরা বইয়ের খোলা পাতা
ঠিক যেমনটা ভাবি তমনটা নও
তবু
তোমায় ভালবাসি
বারবার ভালবাসি
অসহায় ভাবে ভালবাসি
তবু যেমন ভাবে ভালবাসতে চেয়েছিলাম
তেমন ভাবে বাসতে পারি না
Thursday, November 18, 2010
Sunday, November 14, 2010
শেষপাতা
তোমায় লিখব তাই পেন্সিল
তোমায় বাঁধবো বলে cliff
তোমায় রাখব square feet এ
তোমায় ভাসাবো তাই সলিল
তুমি সন্তর্পনে আড় চোখ
অবিচারে বাধা পরে রোগ
জৈষ্ঠ আকাশ ছায়া তরু বট
তুমি সম্পাদ্যের মাপঝোক
শোনা যাইনি পাওয়া যাইনি
রোদটুকু ছুঁয়ে গেছে ত্বক
রাখা যাইনি ও ভাবা যাইনি
ফাঁকা ঘর আজ ও শব্দ ছক
তোমায় লিখব তাই আগুন
তোমায় বাঁধবো বলে Floyd
তোমায় রাখব notebook এ
তোমায় ভাসাবো তাই রুমঝুম
তুমি মাপঝোক করা বুক
লেখা প্রতিদিন অপ্রতিম
রাখা আছে খুনসুটি কিছু পাতা
সাদাকালো frame এ আঁকা মুখ
শোনা যাইনি ভাবা যায়নি
নীরব সংসারের ভুলচুক
রাখা যায়নি সওয়া যাইনি
বৃষ্টির হাতে চেনা সুখ
রোখা যাইনি আজও সময়
বদলেছে শোণিতে সঞ্চয়
বন্ধ চোখে পাপবোধ
চর্চিত সাবেকি ভিরুতায়
তুমি বিকালে দূর রাস্তার মোরে
অবেলা আকাশে দু ফোঁটা প্রাঞ্জল
রাখা সুখ ভেজা হাতের তালুক
খুঁজে পায়নি সেই আঁচল
দেখা যায়নি শোনা যায়নি
এক সুরে গান রাখা তাক
ভোলা যায়নি ও মানা যায়নি
শেষপাতা নাম ছাড়া থাক
তোমায় বাঁধবো বলে cliff
তোমায় রাখব square feet এ
তোমায় ভাসাবো তাই সলিল
তুমি সন্তর্পনে আড় চোখ
অবিচারে বাধা পরে রোগ
জৈষ্ঠ আকাশ ছায়া তরু বট
তুমি সম্পাদ্যের মাপঝোক
শোনা যাইনি পাওয়া যাইনি
রোদটুকু ছুঁয়ে গেছে ত্বক
রাখা যাইনি ও ভাবা যাইনি
ফাঁকা ঘর আজ ও শব্দ ছক
তোমায় লিখব তাই আগুন
তোমায় বাঁধবো বলে Floyd
তোমায় রাখব notebook এ
তোমায় ভাসাবো তাই রুমঝুম
তুমি মাপঝোক করা বুক
লেখা প্রতিদিন অপ্রতিম
রাখা আছে খুনসুটি কিছু পাতা
সাদাকালো frame এ আঁকা মুখ
শোনা যাইনি ভাবা যায়নি
নীরব সংসারের ভুলচুক
রাখা যায়নি সওয়া যাইনি
বৃষ্টির হাতে চেনা সুখ
রোখা যাইনি আজও সময়
বদলেছে শোণিতে সঞ্চয়
বন্ধ চোখে পাপবোধ
চর্চিত সাবেকি ভিরুতায়
তুমি বিকালে দূর রাস্তার মোরে
অবেলা আকাশে দু ফোঁটা প্রাঞ্জল
রাখা সুখ ভেজা হাতের তালুক
খুঁজে পায়নি সেই আঁচল
দেখা যায়নি শোনা যায়নি
এক সুরে গান রাখা তাক
ভোলা যায়নি ও মানা যায়নি
শেষপাতা নাম ছাড়া থাক
শুধু তোমাকে লেখা
বদলেছে সে হলুদ বাড়ির রং
ইট কাঠ দখল নিয়েছে ফাঁকা ছাদ
অনেক শক্ত মাটিতে ঢাকা পরে গেছে
তার সেই বড় পুকুরের ধার
বদলেছে station চত্তর, মিত্র বাড়ির গেট
জং ধরে গেছে cycle র অন্তর্বাসে
রঙিন ছবিগুলো ফিকে হযে গেছে
প্রাপ্তবয়স্ক চাহনির অভিমানে
বদলেছে আমার কলমে ভালবাসার মানে
ধুলোর নিচে চাপা পরে গেছে কত পাতা
সন্ধার কুয়াসায় আমিও পা ফেলেছি বহুদূর
মইলে মাপা জানি কতদূর তা
স্বপ্ন, তবু তুমি আমাকে ছুঁতে দিও তাকে
স্বপ্ন, তুমি আঁচল পেতো তার হাসির ঝিলিকে
স্বপ্ন, তুমি আমাকে আবীর মাখাতে ভুলো না
স্বপ্ন, তুমি তাকে আমার কোরো মাঝরাতে
ইট কাঠ দখল নিয়েছে ফাঁকা ছাদ
অনেক শক্ত মাটিতে ঢাকা পরে গেছে
তার সেই বড় পুকুরের ধার
বদলেছে station চত্তর, মিত্র বাড়ির গেট
জং ধরে গেছে cycle র অন্তর্বাসে
রঙিন ছবিগুলো ফিকে হযে গেছে
প্রাপ্তবয়স্ক চাহনির অভিমানে
বদলেছে আমার কলমে ভালবাসার মানে
ধুলোর নিচে চাপা পরে গেছে কত পাতা
সন্ধার কুয়াসায় আমিও পা ফেলেছি বহুদূর
মইলে মাপা জানি কতদূর তা
স্বপ্ন, তবু তুমি আমাকে ছুঁতে দিও তাকে
স্বপ্ন, তুমি আঁচল পেতো তার হাসির ঝিলিকে
স্বপ্ন, তুমি আমাকে আবীর মাখাতে ভুলো না
স্বপ্ন, তুমি তাকে আমার কোরো মাঝরাতে
Subscribe to:
Posts (Atom)