Thursday, November 18, 2010

শুধু তোমাকে লেখা (১)

তোমাকে চেয়েছিলাম একটু অন্যরকম ভাবে


ঠিক যেমন তা তুমি তেমন ভাবে নয়

মনে মনে অনেক ছবি আঁকা ছিল

যেমন ধরো তুমি নবম শ্রেণীতে শেষ বেন্চ এ বসে

লাল ফ্রক পরা

কানের পাশ দিয়ে বয়ে যেত জানলা দিয়ে ঢুকে পরা হাওয়া

আর তুমি উদাস চোখে চাইতে কঠিন রোদের দিকে

বাংলা বই এ তখন রুপসী বাংলা খোলা

তারপর সেই ঘরে ফিরে আসা

আধা ভাঙ্গা ইঁট এর রাস্তা দিয়ে

মিত্র বাড়ির গেট এ cycle এ বসে থাকা কেউ

কোনদিন ও জানতে চায়নি নাম

বড় পুকুরের ধরে হলুদ বাড়ির মেয়ে ভীষণ হলদেটে

তবু তুমি তিতাস, একটি নদীর নাম



তুমি ভীষণ গভীর, নদীর মতো বনের মতো

সে গভীরে যেতে ভয় হয়

তবু মনে হয় খোঁড়া মনটাকে নিয়ে

একবার দেখে আসি সে রাজ্য

হয়ত গভীরে আছে আরো কত গভীরতা

কত রাত হারিয়ে ফেলেছি তোমার কালো চুলের ফাঁকে

ইঁটের রাস্তা সরে সরে যেত

cycle এর পিছন চাকায় বিশ্রী আওয়াজ

আর ঢুকে পরা গভীরে আমি বিদিশা

তারপর ঘুম ভেঙে যেত

বালিশের পাশে তোমার রঙিন ছবিখানা দেখতাম

তোমায় ভীষণ অচেনা মনে হত

মনে হত অন্য কারো রঙে আঁকা কেউ

ভীষণ অন্যরকম, মাপা মাপা হাসি

গুঁড়িয়ে দিত আমার রাতের অহংকার



কতবার তোমার স্পর্শ পেয়েছি

ধুলোওড়া station চত্তরে

তবু ঘুমের মাঝে তোমায় পাওয়া

তুমি জানোনা তুমি গভীর স্বপ্নে কতটা গভীর

কতটা আমার কতটা স্বাধীন

দিনে তুমি সংশয়, দিনে তুমি না পরা বইয়ের খোলা পাতা

ঠিক যেমনটা ভাবি তমনটা নও

                              তবু



তোমায় ভালবাসি

বারবার ভালবাসি

অসহায় ভাবে ভালবাসি

তবু যেমন ভাবে ভালবাসতে চেয়েছিলাম

তেমন ভাবে বাসতে পারি না

No comments:

Post a Comment