শেষ পর্যায়
======================
চিনতে পারব না আর তোমায়
হলদেটে গাল ভরিয়ে দিয়েছে
সাত আবির রঙ
লজ্জা এঁকে দিয়েছে চোখের কোনে
আকাশে জড়িয়ে থাকে যেমন কালো মেঘ
ছুঁতে পারব না আর তোমায়
পাঁচিল ডিঙ্গিয়ে পায়ের তলায় মাটি
অনেক নতুন পিছল পথ কুয়াশায়
আমার স্বপ্ন ধাওয়া করে পারে না সেখানে
হেরে যায় আমার মধ্যবিত্ত পদক্ষেপ
আর উঁকি মারে না সেই
দরজা পেরিয়ে রবীন্দ্রনাথ
আগলে ধরে না আমার পথ
তাই আঁকার খাতা ফাঁকাই থাকলো একা
রঙতুলি বললো অসহায়
বুক পকেটে যত্নে তোমার গন্ধ এখনো
বিক্রি করিনি কোনো অনটনে
বিক্রি হয়নি সে কোনো কান্নায়
নিকোটিনের স্পর্শে আজও তাই
মুছে যায় আমার সভ্যতার অভিনয়
আমিও হারিনি তবু কোনো অপমানে
কোনো অভিমানে
হয়ত মুখখানা বদলে গেছে অস্থিরতায়
হয়ত নতুন পাতায় কেউ লিখেছে অন্য নাম
তবু আমার কিছু বলার আছে তোমায়
হয়ত কেউ বলে দেবে সময় আমায়
আমার পেরিয়ে আসা রাস্তা মাঠ
আমার শুস্ক চোখ, আমার অহংকার
তাই কোনো ছেঁড়া পাতায় কোনো কবিতা
পেলাম না দেবার আজ তোমায়
আমি জড়ো করেছিলাম পাথর
সমুদ্র যখন শান্ত অমানিশার
আটকে দিয়েছে আমায় সুখ
আমার ফিদিনের হিসেবনিকেশ
আমার কঠিন জ্বালা সহ্যের অভ্যেস
এখনি আমি থেমে যাব
দিনের ভ্রুকুটিতে, কাকের শব্দজালে
হারানো স্মৃতি হাতরে পেয়েছি শেষমেষ
সবকিছু আজও একই আছে চোখে
আজও সেই কালো চুলের আঁধারে আমি বিদিশা
শুধু হাজার পাঁচেক মাইল আটকে রেখেছে ভোর
সময়ের ব্যবধানে
তবু পাল্টে যায়নি কিছু, কোনো কবিতাই
আজও আমি ভালবাসি বারবার তোমায়
অনেক আঘাতের পরও
অনেক দিনের ব্যস্ততায়, ব্যর্থতায়
অনেক হারানো খামে
তবু ভালো থেকো দিন, আশা বাঁচিয়ে রেখো আমায়
আমি অনেক কিছু হারিয়ে ফিরিয়ে নিলাম হাত
আর আগামী দিলাম তোমায়
Tuesday, December 21, 2010
Thursday, November 18, 2010
শুধু তোমাকে লেখা (১)
তোমাকে চেয়েছিলাম একটু অন্যরকম ভাবে
ঠিক যেমন তা তুমি তেমন ভাবে নয়
মনে মনে অনেক ছবি আঁকা ছিল
যেমন ধরো তুমি নবম শ্রেণীতে শেষ বেন্চ এ বসে
লাল ফ্রক পরা
কানের পাশ দিয়ে বয়ে যেত জানলা দিয়ে ঢুকে পরা হাওয়া
আর তুমি উদাস চোখে চাইতে কঠিন রোদের দিকে
বাংলা বই এ তখন রুপসী বাংলা খোলা
তারপর সেই ঘরে ফিরে আসা
আধা ভাঙ্গা ইঁট এর রাস্তা দিয়ে
মিত্র বাড়ির গেট এ cycle এ বসে থাকা কেউ
কোনদিন ও জানতে চায়নি নাম
বড় পুকুরের ধরে হলুদ বাড়ির মেয়ে ভীষণ হলদেটে
তবু তুমি তিতাস, একটি নদীর নাম
তুমি ভীষণ গভীর, নদীর মতো বনের মতো
সে গভীরে যেতে ভয় হয়
তবু মনে হয় খোঁড়া মনটাকে নিয়ে
একবার দেখে আসি সে রাজ্য
হয়ত গভীরে আছে আরো কত গভীরতা
কত রাত হারিয়ে ফেলেছি তোমার কালো চুলের ফাঁকে
ইঁটের রাস্তা সরে সরে যেত
cycle এর পিছন চাকায় বিশ্রী আওয়াজ
আর ঢুকে পরা গভীরে আমি বিদিশা
তারপর ঘুম ভেঙে যেত
বালিশের পাশে তোমার রঙিন ছবিখানা দেখতাম
তোমায় ভীষণ অচেনা মনে হত
মনে হত অন্য কারো রঙে আঁকা কেউ
ভীষণ অন্যরকম, মাপা মাপা হাসি
গুঁড়িয়ে দিত আমার রাতের অহংকার
কতবার তোমার স্পর্শ পেয়েছি
ধুলোওড়া station চত্তরে
তবু ঘুমের মাঝে তোমায় পাওয়া
তুমি জানোনা তুমি গভীর স্বপ্নে কতটা গভীর
কতটা আমার কতটা স্বাধীন
দিনে তুমি সংশয়, দিনে তুমি না পরা বইয়ের খোলা পাতা
ঠিক যেমনটা ভাবি তমনটা নও
তবু
তোমায় ভালবাসি
বারবার ভালবাসি
অসহায় ভাবে ভালবাসি
তবু যেমন ভাবে ভালবাসতে চেয়েছিলাম
তেমন ভাবে বাসতে পারি না
ঠিক যেমন তা তুমি তেমন ভাবে নয়
মনে মনে অনেক ছবি আঁকা ছিল
যেমন ধরো তুমি নবম শ্রেণীতে শেষ বেন্চ এ বসে
লাল ফ্রক পরা
কানের পাশ দিয়ে বয়ে যেত জানলা দিয়ে ঢুকে পরা হাওয়া
আর তুমি উদাস চোখে চাইতে কঠিন রোদের দিকে
বাংলা বই এ তখন রুপসী বাংলা খোলা
তারপর সেই ঘরে ফিরে আসা
আধা ভাঙ্গা ইঁট এর রাস্তা দিয়ে
মিত্র বাড়ির গেট এ cycle এ বসে থাকা কেউ
কোনদিন ও জানতে চায়নি নাম
বড় পুকুরের ধরে হলুদ বাড়ির মেয়ে ভীষণ হলদেটে
তবু তুমি তিতাস, একটি নদীর নাম
তুমি ভীষণ গভীর, নদীর মতো বনের মতো
সে গভীরে যেতে ভয় হয়
তবু মনে হয় খোঁড়া মনটাকে নিয়ে
একবার দেখে আসি সে রাজ্য
হয়ত গভীরে আছে আরো কত গভীরতা
কত রাত হারিয়ে ফেলেছি তোমার কালো চুলের ফাঁকে
ইঁটের রাস্তা সরে সরে যেত
cycle এর পিছন চাকায় বিশ্রী আওয়াজ
আর ঢুকে পরা গভীরে আমি বিদিশা
তারপর ঘুম ভেঙে যেত
বালিশের পাশে তোমার রঙিন ছবিখানা দেখতাম
তোমায় ভীষণ অচেনা মনে হত
মনে হত অন্য কারো রঙে আঁকা কেউ
ভীষণ অন্যরকম, মাপা মাপা হাসি
গুঁড়িয়ে দিত আমার রাতের অহংকার
কতবার তোমার স্পর্শ পেয়েছি
ধুলোওড়া station চত্তরে
তবু ঘুমের মাঝে তোমায় পাওয়া
তুমি জানোনা তুমি গভীর স্বপ্নে কতটা গভীর
কতটা আমার কতটা স্বাধীন
দিনে তুমি সংশয়, দিনে তুমি না পরা বইয়ের খোলা পাতা
ঠিক যেমনটা ভাবি তমনটা নও
তবু
তোমায় ভালবাসি
বারবার ভালবাসি
অসহায় ভাবে ভালবাসি
তবু যেমন ভাবে ভালবাসতে চেয়েছিলাম
তেমন ভাবে বাসতে পারি না
Sunday, November 14, 2010
শেষপাতা
তোমায় লিখব তাই পেন্সিল
তোমায় বাঁধবো বলে cliff
তোমায় রাখব square feet এ
তোমায় ভাসাবো তাই সলিল
তুমি সন্তর্পনে আড় চোখ
অবিচারে বাধা পরে রোগ
জৈষ্ঠ আকাশ ছায়া তরু বট
তুমি সম্পাদ্যের মাপঝোক
শোনা যাইনি পাওয়া যাইনি
রোদটুকু ছুঁয়ে গেছে ত্বক
রাখা যাইনি ও ভাবা যাইনি
ফাঁকা ঘর আজ ও শব্দ ছক
তোমায় লিখব তাই আগুন
তোমায় বাঁধবো বলে Floyd
তোমায় রাখব notebook এ
তোমায় ভাসাবো তাই রুমঝুম
তুমি মাপঝোক করা বুক
লেখা প্রতিদিন অপ্রতিম
রাখা আছে খুনসুটি কিছু পাতা
সাদাকালো frame এ আঁকা মুখ
শোনা যাইনি ভাবা যায়নি
নীরব সংসারের ভুলচুক
রাখা যায়নি সওয়া যাইনি
বৃষ্টির হাতে চেনা সুখ
রোখা যাইনি আজও সময়
বদলেছে শোণিতে সঞ্চয়
বন্ধ চোখে পাপবোধ
চর্চিত সাবেকি ভিরুতায়
তুমি বিকালে দূর রাস্তার মোরে
অবেলা আকাশে দু ফোঁটা প্রাঞ্জল
রাখা সুখ ভেজা হাতের তালুক
খুঁজে পায়নি সেই আঁচল
দেখা যায়নি শোনা যায়নি
এক সুরে গান রাখা তাক
ভোলা যায়নি ও মানা যায়নি
শেষপাতা নাম ছাড়া থাক
তোমায় বাঁধবো বলে cliff
তোমায় রাখব square feet এ
তোমায় ভাসাবো তাই সলিল
তুমি সন্তর্পনে আড় চোখ
অবিচারে বাধা পরে রোগ
জৈষ্ঠ আকাশ ছায়া তরু বট
তুমি সম্পাদ্যের মাপঝোক
শোনা যাইনি পাওয়া যাইনি
রোদটুকু ছুঁয়ে গেছে ত্বক
রাখা যাইনি ও ভাবা যাইনি
ফাঁকা ঘর আজ ও শব্দ ছক
তোমায় লিখব তাই আগুন
তোমায় বাঁধবো বলে Floyd
তোমায় রাখব notebook এ
তোমায় ভাসাবো তাই রুমঝুম
তুমি মাপঝোক করা বুক
লেখা প্রতিদিন অপ্রতিম
রাখা আছে খুনসুটি কিছু পাতা
সাদাকালো frame এ আঁকা মুখ
শোনা যাইনি ভাবা যায়নি
নীরব সংসারের ভুলচুক
রাখা যায়নি সওয়া যাইনি
বৃষ্টির হাতে চেনা সুখ
রোখা যাইনি আজও সময়
বদলেছে শোণিতে সঞ্চয়
বন্ধ চোখে পাপবোধ
চর্চিত সাবেকি ভিরুতায়
তুমি বিকালে দূর রাস্তার মোরে
অবেলা আকাশে দু ফোঁটা প্রাঞ্জল
রাখা সুখ ভেজা হাতের তালুক
খুঁজে পায়নি সেই আঁচল
দেখা যায়নি শোনা যায়নি
এক সুরে গান রাখা তাক
ভোলা যায়নি ও মানা যায়নি
শেষপাতা নাম ছাড়া থাক
শুধু তোমাকে লেখা
বদলেছে সে হলুদ বাড়ির রং
ইট কাঠ দখল নিয়েছে ফাঁকা ছাদ
অনেক শক্ত মাটিতে ঢাকা পরে গেছে
তার সেই বড় পুকুরের ধার
বদলেছে station চত্তর, মিত্র বাড়ির গেট
জং ধরে গেছে cycle র অন্তর্বাসে
রঙিন ছবিগুলো ফিকে হযে গেছে
প্রাপ্তবয়স্ক চাহনির অভিমানে
বদলেছে আমার কলমে ভালবাসার মানে
ধুলোর নিচে চাপা পরে গেছে কত পাতা
সন্ধার কুয়াসায় আমিও পা ফেলেছি বহুদূর
মইলে মাপা জানি কতদূর তা
স্বপ্ন, তবু তুমি আমাকে ছুঁতে দিও তাকে
স্বপ্ন, তুমি আঁচল পেতো তার হাসির ঝিলিকে
স্বপ্ন, তুমি আমাকে আবীর মাখাতে ভুলো না
স্বপ্ন, তুমি তাকে আমার কোরো মাঝরাতে
ইট কাঠ দখল নিয়েছে ফাঁকা ছাদ
অনেক শক্ত মাটিতে ঢাকা পরে গেছে
তার সেই বড় পুকুরের ধার
বদলেছে station চত্তর, মিত্র বাড়ির গেট
জং ধরে গেছে cycle র অন্তর্বাসে
রঙিন ছবিগুলো ফিকে হযে গেছে
প্রাপ্তবয়স্ক চাহনির অভিমানে
বদলেছে আমার কলমে ভালবাসার মানে
ধুলোর নিচে চাপা পরে গেছে কত পাতা
সন্ধার কুয়াসায় আমিও পা ফেলেছি বহুদূর
মইলে মাপা জানি কতদূর তা
স্বপ্ন, তবু তুমি আমাকে ছুঁতে দিও তাকে
স্বপ্ন, তুমি আঁচল পেতো তার হাসির ঝিলিকে
স্বপ্ন, তুমি আমাকে আবীর মাখাতে ভুলো না
স্বপ্ন, তুমি তাকে আমার কোরো মাঝরাতে
Thursday, July 1, 2010
Nandigram
The Peace Officer is mendacious,
She did not die.
She was ceased to exist.
She is twelve.
There were people half exposed
There was no hut to veil
There was green about
But she could find nothing to have.
She was behind the eight ball
She never learnt to read
She enjoyed asinine adventures
On the grubby roads towards the light.
She was twelve, could not catch the letters
She did not discern the “Why?”
She stepped with her mother when
Bloods claimed the color of prairie.
They were calculated to be flaccid
They lost the green, the feebly existed huts
There cannot be a worse than the worst
But they lost across the board.
She never played with toys
Till she was coerced to touch the howitzer
She felt her father’s last breathe
To keep the hut that almost dwindled.
Bloods were bagging the azure
Count was getting less in the huts
She coalesced with them like her father
She was twelve, she took on the Gun.
Tears were crystal in the rainless day
She did not die.
She was encountered by the system
She was only twelve then.
She did not die.
She was ceased to exist.
She is twelve.
There were people half exposed
There was no hut to veil
There was green about
But she could find nothing to have.
She was behind the eight ball
She never learnt to read
She enjoyed asinine adventures
On the grubby roads towards the light.
She was twelve, could not catch the letters
She did not discern the “Why?”
She stepped with her mother when
Bloods claimed the color of prairie.
They were calculated to be flaccid
They lost the green, the feebly existed huts
There cannot be a worse than the worst
But they lost across the board.
She never played with toys
Till she was coerced to touch the howitzer
She felt her father’s last breathe
To keep the hut that almost dwindled.
Bloods were bagging the azure
Count was getting less in the huts
She coalesced with them like her father
She was twelve, she took on the Gun.
Tears were crystal in the rainless day
She did not die.
She was encountered by the system
She was only twelve then.
Tuesday, January 19, 2010
Anamika (2)
She felt the black
She touched the blue
She tried to keep her eyes tight
It was a sunny day
It was cloudy
She was wrapped in a pale saree
Which kept her safe from
the specs around, down the river.
She survived.
She stood in the busy roads
She kept her fingers crossed
She kept her tears in
The letters she left behind.
She stepped out
There were trums, buses
People had to hurry, they had work
She walked with them, falling behind.
Her body was worried
Legs fell apart
She did not cut out.
There is a reason to live
I never knew
I never saw her going to school
Though she learnt the life.
She touched the blue
She tried to keep her eyes tight
It was a sunny day
It was cloudy
She was wrapped in a pale saree
Which kept her safe from
the specs around, down the river.
She survived.
She stood in the busy roads
She kept her fingers crossed
She kept her tears in
The letters she left behind.
She stepped out
There were trums, buses
People had to hurry, they had work
She walked with them, falling behind.
Her body was worried
Legs fell apart
She did not cut out.
There is a reason to live
I never knew
I never saw her going to school
Though she learnt the life.
Subscribe to:
Posts (Atom)